মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st জানুয়ারি ২০১৮

হজ্জ্ব বীমা (লাভসহ)

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে হজ্জ্ব অন্যতম। হজ্জ্ব এমন একটি ইবাদত যা আর্থিক ও শারিরীক সামর্থবান মুসলমানদের জন্য আল্লাহ পাক ফরজ ঘোষণা করেছেন। কুরআন মজীদে এই ফরজ বিধানের আলোচনা করা হয়েছে এভাবে-  “আর মানুষের উপর আল্লাহ্ তা’আলা আনহুর বিধান হলো, যে ব্যক্তিরই এ ঘর পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ থাকবে, সে যেন এ ঘরের হজ্ব আদায় করে।”  (আল কোরআনঃ ৩:৯৭)

উক্ত আয়াতে কারীমাতে আল্লাহ তা’আলা সে সব লোকদের উপর হজ্জ্ব ফরজ করে দিয়েছেন যারা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এবং আল্লাহর ঘর পর্যন্ত পৌঁছার সক্ষমতা রাখে।

কুরআন মজীদে আল্লাহ তা’আলা আরো ইরশাদ করেন, “আল্লাহ্  তালার (সন্তুষ্টির) জন্য হজ্ব ও ওমরাহ সম্পন্ন করো।”  (আল কোরআনঃ ২:১৯৬)

 

বৈশিষ্ট্যঃ

১। এ পরিকল্পনায় মেয়াদ শেষে বীমাকৃত অর্থ (বোনাসসহ) প্রদান করা হবে। যা দ্বারা বীমাগ্রাহক পবিত্র হজ্ব, ওমরাহ পালন করা ছাড়াও অন্য যে কোন প্রয়োজন মিটাতে পারবেন।

২। বীমাগ্রাহকের অকাল মৃত্যু হলে বীমাকৃত অর্থ অর্জিত বোনাসসহ মনোনীতককে প্রদান করা হবে। প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি বীমাগ্রহীতার পক্ষে বদলী হজ্জ্ব ও ওমরাহ পালন করতে পারবেন।

৩। ১০,১২,১৫,১৬ ও ২০ বছর মেয়াদের মধ্যে যেকোন মেয়াদে এ বীমা পলিসি গ্রহণ করা যাবে।

৪। এ বীমায় সর্বনিম্ন প্রবেশকালীন বয়স ১৮ বছর, সর্বোচ্চ প্রবেশকালীন বয়স ৫৫ বছর। মেয়াদপূর্তীকালীন বয়স ৬৫ বছরের বেশী হবে না।

৫। এ বীমার প্রিমিয়াম ষান্মসিক ও বার্ষিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য। বড় অংকের বীমা এবং দেয় পদ্ধতির উপর কোন রিবেট প্রদান করা হবে না।

৬। প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যাবে।

৭। এই বীমায় সমর্পণ ও ঋণ গ্রহণ করা যাবে।

৮। এই বীমার সঙ্গে অতিরিক্ত সুবিধার বীমা (Supplementary benefit) গ্রহণ করা যাবে।  


Share with :
Facebook Facebook